দড়ি ঘরের অনেক কাজেই লাগে। কিন্তু জানেন কি দড়ি দিয়েও সাজানো যায় ঘর? অবাক হচ্ছেন? খোদ ইন্টিরিয়র ডিজাইনাররাই কিন্তু বলছে একথা। নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে? চলুন আজ দেখে নিন সেগুলোই।
বাতিদান
বাজারে বিভিন্ন ধরনের বাতিদান কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু দড়ি দিয়ে বাড়িতেও বানিয়ে ফেলতে পারেন বাতিদান। লাউঞ্জ সাজাতে ব্যবহার করতে পারেন সেটি। ছাদ থেকে দড়ি দিয়ে কোনও কাঁচের পাত্র ঝুলিয়ে দিন। তাতে রাখুন বাতিবাতি। দেখবেন এটি সৌন্দর্য্যকে একটা অন্যরকমের মাত্রা দেবে।
দড়ির বাতিদান। ফাইল ছবি।
আয়নায়
বাড়ির বেডরুম-বাথরুমে সকলেরই আয়না থাকে। সেটিকে সাজিয়ে তুলুন দড়ি দিয়ে। কিছুই না, স্রেফ আয়নার চারপাশ দিয়ে বেশ কয়েক পাক ঘুরিয়ে নিন দড়ি। তারপর দড়ি দিয়েই ওই আয়না ঝুলিয়ে দিন দেওয়ালের সঙ্গে।
ফাইল ছবি।
দড়ির টুল
একটি টায়ার নিন। এবার তার চারদিক দিয়ে জড়িয়ে দিন দড়ি। যতক্ষণ না পুরো টায়ার ঢাকা পড়ছে, জড়িয়ে যান। তবে অবশ্যই তার আগে তাতে আঠা লাগিয়ে নিন। তবে টায়ারের মাঝখানটিতে কিছু ভরে দিন। তারপর তার উপরেও আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিন দড়ি। ব্যস, কেল্লাফতে।
দড়ির ফুলদানি
যদি সাদামাটা ফুলদানি হয়, তবে তার চারপাশে দড়ি দিয়ে কারুকাজ করতে পারেন। যা নিঃসন্দেহে শোভা বাড়াবে।
ফাইল ছবি।
সিঁড়ির হাতল
সিঁড়ির হাতল সচরাচর কাঠ বা লোহা দিয়ে তৈরি হয়। কিন্তু একটু অভিনবত্ব আনতে ব্যবহার করতে পারেন দড়ি। অথবা দড়ি দিয়েই বানাতে পারেন হাতল।
ফাইল ছবি।
দড়ির পার্টিশন
দু’টি জায়গার মধ্যে পার্টিশন করতে ব্যবহার করতে পারেন দড়ি। এক্ষেত্রে ছাদ থেকে মেঝে পর্যন্ত পরপর কয়েকটি দড়ি টানটান করে ঝুলিয়ে দিন। ইচ্ছে হলে ক্রস করেও ঝোলাতে পারেন।
ফাইল ছবি।
পাপোশ
দড়ির পাপোশ খুব সাধারণ একটি বিষয়। তবে একটু আলাদা দেখতে পাপোশ চাইলে দড়ি দিয়ে ডিজাইন করতে পারেন। আর তা না হলে দড়ি গুটিয়ে বানাতে পারেন পাপোশ।
