shono
Advertisement
I-PAC ED Case

'বাঘিনী' মমতাকে রুখতে 'সুপ্রিম' দরবারে ইডি, আইপ্যাক মামলায় যুক্ত সিপি-ডিজির নাম

গত ৮ জানুয়ারি কলকাতায় আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধারের বাড়িতে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 12:22 PM Jan 12, 2026Updated: 02:17 PM Jan 12, 2026

পুরনো কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাক কর্ণধারের বাড়ি ও অফিসে ইডির তল্লাশি, মুখ্যমন্ত্রীর যাওয়া এবং ফাইল নিয়ে আসার জল গড়াল আরও দূর। এবার সুপ্রিম কোর্টে এনিয়ে জোড়া মামলা দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাতে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা, ডিসি প্রিয়ব্রত রায় ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মামলায় যুক্ত করা হয়েছে বলে খবর। পার্টি করা হয়েছে আরেক কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআইকেও।

Advertisement

রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা, ডিসি প্রিয়ব্রত রায় ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মামলায় যুক্ত করা হয়েছে বলে খবর।

গত ৮ জানুয়ারি রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের দপ্তর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু ফাইল নিয়ে আসেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, ওইসব তাঁর দলের নথিপত্র। তাতে নির্বাচনী রণকৌশলের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র রয়েছে। সেসব ছিনতাইয়ের ষড়যন্ত্র করেছে ইডি, এই অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, দলের স্বার্থে তিনি সেসব ফাইল সঙ্গে নিয়ে গেলেন।

আর তাঁর এই পদক্ষেপেই ইডির সঙ্গে সংঘাত তৈরি হয়। পুরনো কয়লা পাচার মামলায় ওই তল্লাশি, তা দাবি করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা অভিযোগ তোলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং তদন্তের কাজে বাধা দিয়েছেন। এবং তাঁকে সেই কাজে সহায়তা করেছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা-সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এর বিরোধিতা করে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে জোড়া মামলা দায়ের হয়েছে - একটি ইডির তরফে, অপরটি মামলাটি আলাদাভাবে দায়ের করেছেন ইডির তিন অফিসার। অভিযোগ, তল্লাশি চলাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের হাত থেকে ফাইল ছিনিয়ে নিয়েছেন। দুটি মামলাই গৃহীত হয়েছে শীর্ষ আদালতে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টে জোড়া মামলা দায়ের হয়েছে - একটি ইডির তরফে, অপরটি মামলাটি আলাদাভাবে দায়ের করেছেন ইডির তিন অফিসার। অভিযোগ, তল্লাশি চলাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের হাত থেকে ফাইল ছিনিয়ে নিয়েছেন।

যদিও ইডি হানার পরপর কলকাতা হাই কোর্টে এনিয়ে মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে সেই মামলাগুলি রয়েছে। একটি মামলা হয়েছে ইডির তরফে, বাকি দুটি মামলা দায়ের করেছিল রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেস। গত শুক্রবার মামলাগুলির শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও এজলাসে তুমুল বিশৃঙ্খলার জেরে বিচারপতি মামলাই শোনেননি। আগামী ১৪ জানুয়ারি সেই মামলাগুলির শুনানি। তার আগেই ইডি সুপ্রিম কোর্টে গেল।

ইডির এই মামলা নিয়ে  তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া, ''ছ বছর আগেকার মামলা এখন খুঁচিয়ে তুলেছে ইডি। ভোটের আগে এসব হচ্ছে। ইডি ওইদিন তৃণমূলের তথ্য লুট করার চেষ্টা করছিল। দলনেত্রী হিসাবে তা রক্ষা করতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই এখন এসব বলা হচ্ছে।''

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement