Advertisement

নজরে চিন, আণবিক ও ডিজেল সাবমেরিনের মিশেলে লালফৌজকে টেক্কা দেবে নৌসেনা

02:24 PM Oct 06, 2021 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত মহাসাগরে ক্রমশ আগ্রাসী হচ্ছে চিন (China)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমায় সদর্পে টহল দিচ্ছে লালফৌজের রণতরী। ফলে চিন্তার ভাঁজ গভীর হচ্ছে ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে। এহেন পরিস্থিতিতে আণবিক ও ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনের মিশেলে লাল-চিনকে টেক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে নৌসেনা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সীমান্তে মোতায়েন চিনা যুদ্ধবিমান, আশঙ্কার কথা শোনালেন বায়ুসেনা প্রধান]

কেন্দ্র সরকারের এক শীর্ষ আধিকারিককে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, বর্তমানে ডিজেল চালিত ও আণবিক, এই দুই ধরনের সাবমেরিনই ভাণ্ডারে মজুত রাখতে চাইছে নৌসেনা। ভারত মহাসাগরে কৌশলগত অবস্থান এবং অর্থ ও সমরনীতির সূত্র মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত জুন মাসেই জানা যায় যে, চিনা নৌবাহিনীকে নজরে রেখে আরও ছ’টি সাবমেরিন কেনা হবে। জুন মাসেই নতুন ছ’টি ডুবোজাহাজ তৈরির জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার ঘোষণা করে ভারতীয় নৌবাহিনী। এক বৈঠকে এই সংক্রান্ত প্রস্তাব পাশ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের ‘ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল’। জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘পি ৭৫ ইন্ডিয়া’ (P 75 India)। এর অন্তর্গত আরও ছ’টি নতুন ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন তৈরি করা হবে।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই ফ্রান্সের তৈরি অত্যাধুনিক ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন কিনতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কয়েকশো কোটি ডলার মূল্যের ওই চুক্তি ফরাসি অস্ত্রনির্মাতাদের কাছে বড়সড় সুযোগ ছিল। কিন্তু আচমকা ওই চুক্তি বাতিল করে দেয় অস্ট্রেলিয়া। কারণ, আমেরিকা ও ব্রিটেনের সঙ্গে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত সহযোগিতা বাড়িয়ে তুলতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে দেশটি। যার ফলে আমেরিকার তৈরি অত্যাধুনিক আণবিক শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ চলে আসছে অস্ট্রেলিয়ার হাতে। আর খুব স্বাভাবিকভাবেই ফরাসি ডিজেল চালিত সাবমেরিন কিনতে নারাজ দেশটি। আর তারপরই প্রশ্ন ওঠে এবার কি ভারতও আণবিক সাবমেরিনের দিকেই ঝুঁকবে?  

বিশ্লেষকদের মতে, মূলত চিনকে নজরে রেখেই এহেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। কারণ, ডিজেল চালিত ডুবোজাহাজের তুলনায় পারমাণবিক সাবমেরিনগুলি অনেক বেশি সময় জলের নিচে থাকতে পারে। কার্যত কোনও আওয়াজ না করেই জলপথে গোটা বিশ্বে চক্কর দিতে পারে এই সাবমেরিনগুলি। কিন্তু ডিজেল চালিত সাবমেরিনগুলির তুলনায় পারমাণবিক ডুবোজাহাজগুলি তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেক। তাই ভারত নিজের ভাঁড়ারে দুটোই মজুত রাখতে চাইছে।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক চুক্তি চিনের! সীমান্তে লালফৌজের সঙ্গে মোতায়েন পাক সেনা অফিসার]

Advertisement
Next