Advertisement

কংগ্রেসের রাষ্ট্রপতি ভবন অভিযানে বাধা পুলিশের, আটক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

01:02 PM Dec 24, 2020 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেন্দ্রের কৃষি আইনের প্রতিবাদে কংগ্রেসের রাষ্ট্রপতি ভবন অভিযানে বাধা পুলিশের। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ আরও কয়েকজন কংগ্রেস নেতাকে হেফাজতে নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে দুই কোটি স্বাক্ষর নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে একটি স্মারকপত্র জমা দিতে রওনা দিয়েছিলেন কংগ্রেস (Congress) নেতারা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: লকডাউনে দেশের সেরা ১০ সাংসদের মধ্যে পাঁচ জনই বিজেপির! তালিকায় তৃতীয় স্থানে রাহুল]

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, এদিন মোদি সরকারের তীব্র আলোচনা করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, “সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললেই সন্ত্রাসবাদী তকমা দেওয়া হচ্ছে। আজ কৃষকদের প্রতি সমর্থন জানতে এই অভিযান শুরু করেছি আমরা। আমরা একটি গণতান্ত্রিক দেশে বাস করি। সাংসদরা জনতার দ্বারা নির্বাচিত। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার তাঁদের অধিকার রয়েছে। তা হলে তাঁদের সেখানে যেতে দিতে অসুবিধা কোথায়?”, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, “কখনও তারা (মোদি সরকার) বলে আমরা এতই দুর্বল যে বরোধী হিসেবে আমাদের গ্রহণযোগ্যতাই নেই। আবার তারাই কখনও বলে যে আমরা এত শক্তিশালী যে লক্ষ লক্ষ কৃষককে দিল্লি সীমান্তে সংঘবদ্ধ ভাবে একমাস ধরে জড়ো করে রেখেছি। তারাই সিদ্ধান্ত নিক আমরা আসলে কী।”

উল্লেখ্য, কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশজুড়ে প্রায় ২ কোটি সই সংগ্রহ করেছে কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির কাছে এই মর্মে স্মারকপত্র জমা দিতে রওনা দিয়েছে কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল। এই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। কেন্দ্রের বিতর্কিত কৃষি আইনের (Farm Laws) বিরোধিতা প্রথম করেন রাহুল গান্ধীই। তিনিই পাঞ্জাবে গিয়ে ট্র্যাক্টরে চেপে আন্দোলনের সূচনা করেন। তবে, দিল্লিতে যে কৃষি বিক্ষোভ হচ্ছে, সেই বিক্ষোভকে স্বতঃপ্রণোদিত বলেই দাবি করেছে কংগ্রেস। কৃষকদের সংঠনগুলিও জানিয়ে দিয়েছে, তাঁদের বিক্ষোভে কোনও রাজনীতির যোগ নেই। তবে, শুরু থেকেই কংগ্রেস যে এই বিক্ষোভকে (Farmers Protest) নৈতিক সমর্থন দিয়ে আসছে, সেকথা কারও অজানা নয়। বিজেপি নেতারা স্পষ্ট দাবি করেছেন, কৃষকদের এই বিক্ষোভের নেপথ্যে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং এবং কংগ্রেসের প্রত্যক্ষ মদত আছে। এতদিন আইন বাতিলের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় টুকটাক সরব হচ্ছিলেন রাহুল গান্ধী নিজেও।

[আরও পড়ুন: বড়দিনের আগে সামান্য বাড়ল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ, কমল অ্যাকটিভ কেস]

Advertisement
Next