সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিওয়ালির পর থেকেই দিল্লির বায়ুদূষণের দিকে চোখ গোটা দেশের। এদিকে শৈত্যের তীব্র কামড়ে ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে 'হলুদ সতর্কতা'। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটায় তাপমাত্রা নেমে যায় ৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এর মধ্যেই শুক্রবার রাজধানী সাক্ষী হল বৃষ্টির ভ্রূকুটির। এদিন বেশ কয়েকটি অঞ্চলে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু কেন হঠাৎ শীতকালে এমন বর্ষণের চোখরাঙানি?
ভরা জানুয়ারিতে কনকনে শীতের দিল্লিতে বৃষ্টি নিঃসন্দেহে অস্বাভাবিক। বৃহস্পতিবার আইএমডি-র তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে শুক্রবার। কিন্তু দিল্লির বৃষ্টি নিয়ে কোনও সতর্কতা ছিল না। তাহলে কেন হঠাৎ এমন বৃষ্টি? আরাবল্লী পর্বতমালার উপরে পুবালি হাওয়ার ধাক্কাতেই এই বৃষ্টি বলে জানা যাচ্ছে। বর্ষণের পরিমাণ বেশি না হলেও এতে যে শীতের কামড় আরও তীব্র হবে তা ধরেই নেওয়া যায়।
দিল্লির পাশাপাশি গুরুগ্রাম ও নয়ডাতেও বৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ওই সব অঞ্চলে মূলত ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টির কথাই জানা যাচ্ছে। তবে আগামীকাল থেকে আর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই হাওয়া অফিস জানিয়েছে। কিন্তু ঠান্ডা ও কুয়াশার হাত থেকে নিস্তার মিলবে না বলেই জানানো হয়েছে। যদিও শুক্রবারের বৃষ্টিতে শীত বাড়লেও দূষণের মাত্রা সামান্য কমেছে বলে জানা যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, দীপাবলির পর থেকেই বিষাক্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির বাতাস। যার হাত থেকে বাঁচতে ‘ক্লাউড সিডিং’-এর ব্যবস্থা করেছিল দিল্লি সরকার। কিন্তু লাভের লাভ কিছু হয়নি। বরং লাফিয়ে বেড়েছে দূষণ। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ও বিজেপি নেত্রী কিরণ বেদি কয়েকদিন আগেই দাবি করেন, রাজধানীর বর্তমান পরিস্থিতি কোভিডের সঙ্গে তুলনীয়!
