সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশই শিরোধার্য। তা মেনে এসআইআরে শুনানি চলাকালীন তথ্যগত অসংগতির বা লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি তালিকার পাশাপাশি আনম্যাপড ভোটারদের তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক অফিস, তালুক ও ওয়ার্ড অফিস-সহ বিভিন্ন জায়গায় এই তালিকা শনিবারের মধ্যে টাঙিয়ে দেওয়া হবে। বাংলায় তথ্যগত অসংগতির তালিকায় ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩২ জন ভোটারের নাম আছে। আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬।
লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি তালিকার পাশাপাশি আনম্যাপড ভোটারদের তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক অফিস, তালুক ও ওয়ার্ড অফিস-সহ বিভিন্ন জায়গায় এই তালিকা শনিবারের মধ্যে টাঙিয়ে দেওয়া হবে।
রবিবার থেকে তথ্যগত অসংগতির তালিকায় নাম থাকা ভোটাররা কোনও প্রতিনিধির মাধ্যমে বা নিজেরা সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে গিয়ে নথি জমা দিতে পারবেন। শুনানির সময় মাধ্যমিক পাশের সার্টিফিকেট ছাড়াও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা হবে। বুধবার রাতে এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করে দেয় নির্বাচন কমিশন। ১০ দিন সময় পাওয়া যাবে নথি জমা দেওয়ার। ফলে শুনানি শেষ করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে ২০ ফ্রেব্রুয়ারি হয়ে যাবে বলেই মনে করছে রাজ্যে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।
এদিকে, রাজ্যের ভোটার তালিকায় অবৈধ ভাবে নাম তোলা-সহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগে চার আধিকারিক এবং এক কর্মীর বিরুদ্ধে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা ডিইও-কে এফআইআর (SIR in West Bengal) করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই প্রেক্ষিতে এর আগে নবান্ন কমিশনকে রিপোর্ট পাঠিয়ে বলেছিল, আপাতত তারা চারজন অফিসারকে সাসপেন্ড করছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে। এফআইআর যদি করতেই হয় তার জন্য আরেকটু সময় দেওয়া হোক। তবে দেখা গেল, এই আর্জির পরই ফের কড়া চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা জানতে চেয়ে মুখ্যসচিবকে চিঠি দিল কমিশন।
আজ, বৃহস্পতিবার কমিশন নিযুক্ত ১২ পর্যবেক্ষককে নিয়ে বৈঠক করবেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। মূলত, ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ কী অবস্থায় রয়েছে তা বৈঠকে আলোচনা হবে।জানা যাচ্ছে, এসআইআর শুনানি চলাকালীন যে নথি আপলোড করা হচ্ছে তা যাচাই করে দেখবেন পর্যবেক্ষকরা।
