shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

রয়েছে আইনি ডিগ্রি, অর্থদপ্তরের গুরুদায়িত্ব, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কত সম্পত্তির মালকিন?

কোনও মামলা নেই তাঁর বিরুদ্ধে। সোনা-হিরে দামি গাড়ি মিলিয়েও সম্পত্তির পরিমাণ সীমিত।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 08:34 PM Apr 04, 2026Updated: 08:34 PM Apr 04, 2026

কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা নিয়ে তাঁর কারবার। একটা সইতেই অনেক কাজ হয়ে যায়। রাজকোষ সামলে রাখার গুরুদায়িত্ব তাঁর উপর নিশ্চিন্তে ছেড়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছেড়েছেন নয়, তাঁকে নিজের 'ডেপুটি' করেছেন। তিনি রাজ্যের অর্থদপ্তরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। নিজে আইনজীবী। পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের সদস্য। আর রাজনীতি তাঁর নেশা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বরাবর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজনীতি করেছেন বামপন্থীদের বিরুদ্ধে। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবার দমদম উত্তর কেন্দ্রের হেভিওয়েট প্রার্থী। শনিবার বারাকপুরের প্রশাসনিক ভবনে তিনি মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। রাজ্যের অর্থদপ্তর সামলানো মন্ত্রীর নিজের ঘরে কত ধন রয়েছে, তার হদিশও এদিন মিলল। সম্পত্তি সংক্রান্ত হলফনামা পেশ করেছেন চন্দ্রিমা। আসুন, একনজরে দেখে নেওয়া যাক - 

Advertisement

  • হাতে নগদ রয়েছে ১ লক্ষ ২০ হাজার ২৪০ টাকা।
  • ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই মুহূর্তে জমা অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ১০ লক্ষ ৪৬ হাজার ১৬২।
  • একটি মাহিন্দ্র স্পরপিও গাড়ি রয়েছে তাঁর। যার বাজারমূল্য সাড়ে ১১ লক্ষের বেশি।
  • অলংকারের পরিমাণ অবশ্য ভালোই। দমদম উত্তরের হেভিওয়েট প্রার্থীর গয়নার বাক্সে রয়েছে - ১২ গ্রাম ওজনের একটি সোনার চেন, ৮ গ্রামের সোনার আংটি, একজোড়া হিরের আংটি এবং ৮ গ্রামের একটি বালা। এসব মিলিয়ে মোট বাজারমূল্য ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।
  • মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ২৪ লক্ষ ১৯ হাজার ০৯৯ টাকা।

মনোনয়নের সঙ্গে সম্পত্তির হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর হাতে নগদ রয়েছে ১ লক্ষ ২০ হাজার ২৪০ টাকা। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই মুহূর্তে জমা অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ১০ লক্ষ ৪৬ হাজার ১৬২। একটি মাহিন্দ্র স্পরপিও গাড়ি রয়েছে তাঁর। যার বাজারমূল্য সাড়ে ১১ লক্ষের বেশি। অলংকারের পরিমাণ অবশ্য ভালোই। দমদম উত্তরের হেভিওয়েট প্রার্থীর গয়নার বাক্সে রয়েছে ১২ গ্রাম ওজনের একটি সোনার চেন, ৮ গ্রামের সোনার আংটি, একজোড়া হিরের আংটি এবং ৮ গ্রামের একটি বালা। এসব মিলিয়ে মোট বাজারমূল্য ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ২৪ লক্ষ ১৯ হাজার ০৯৯ টাকা।

নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশার কথা উল্লেখ করেছে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ১৯৭২ সালে তিনি বি.কম পাশ করেন। তারপর ১৯৭৬ সালে এলএলবি ডিগ্রি নেন। ১৯৭৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের সদস্য হন। আয়ের উৎস বলতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে যা বেতন পান, সেটাই। চন্দ্রিমার বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি বা অন্য কোনও মামলা নেই।

এ তো গেল অস্থাবর সম্পত্তির হিসেবনিকেশ। স্থাবর বলতেও তেমন বেশি কিছু নেই তাঁর। হলফনামা থেকে জানানো যাচ্ছে, কৃষিজমি বা বাণিজ্যিক ভবন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর নামে নেই। কলকাতার ৫৭ই গড়চা রোডে একটি আন-রেজিস্টার্ড লিজ হোল্ড সম্পত্তি রয়েছে, তার জমির পরিমাণ ১ কাঠা ১২ ছটাক। এটি ১৯৯৪ সালে লিজ ডিডের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছিল। নির্মাণ এলাকা প্রায় ১৬০০ বর্গফুট। লিজ সম্পত্তি হওয়ায় এর বর্তমান বাজারমূল্য প্রযোজ্য নয়। তাঁর স্বামীর অস্থাবর সম্পত্তির মোট পরিমাণ মাত্র ২ লক্ষ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা। তিনি বা স্বামী - কারও কোনও ঋণ নেই।

নির্বাচনী হলফনামায় নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশার কথা উল্লেখ করেছে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ১৯৭২ সালে তিনি বি.কম পাশ করেন। তারপর ১৯৭৬ সালে এলএলবি ডিগ্রি নেন। ১৯৭৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের সদস্য হন। আয়ের উৎস বলতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে যা বেতন পান, সেটাই। চন্দ্রিমার বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি বা অন্য কোনও মামলা নেই। এহেন প্রার্থীকে ফের দমদম উত্তরের ভোটাররা জনপ্রতিনিধি হিসেবে চান কি না, তার উত্তর মিলবে আগামী ৪ মে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement