সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খলিস্তানি ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বিবাদের পর ক্ষমতাচ্যুত জাস্টিন ট্রুডো! কদিনের মধ্যেই কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম জানা যাবে। তার পরেও ভারত-কানাডা সম্পর্কের উন্নতি হল না! এবার ভারতীয়দের ভিসা বাতিলে কড়া পদক্ষেপ করল সে দেশের প্রশাসন। এর ফলে আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানির পর কানাডাতেও সমস্যায় পড়তে চলেছেন ভারতীয় অভিবাসীরা।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইতিমধ্যে ৩০০-র বেশি ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে আমেরিকা। ব্রিটেনে শুরু হয়েছে অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড়। সম্প্রতি জার্মানিতে ফ্রেডরিখ মার্জের নেতৃত্বে ক্ষমতায় এসেছে কট্টরপন্থীরা। নয়া ডানপন্থী সরকার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, শরণার্থী আইন, অভিবাসীদের সামাজিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে কঠোর নীতির কথা ঘোষণা করেছে। এই আবহে গত ৩১ জানুয়ারি অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে কানাডাও।
প্রশাসনের নির্দেশে সীমান্ত আধিকারিকদের ‘অস্থায়ী আবাসিক ভিসা’ বাতিলের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে অস্বস্তিতে ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে সে দেশে কাজ করতে যাওয়া কর্মী এবং কানাডার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ৪ লক্ষ ২৭ হাজার ভারতীয় পড়ুয়া।
২০২৩ সালে কানাডায় খুন হয়েছিলেন খলিস্তানপন্থী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি হয়। প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন, এই খুনের পিছনে নয়াদিল্লির হাত রয়েছে। যদিও ভারত সরকার অভিযোগ অস্বীকার করে। এই সংঘাতের প্রভাব পড়ে ভারত-কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্কে। এবার কড়া অভিবাসী নীতি এনে ভারতীয়দের বিপাকে ফেলাই কী লক্ষ্য? উঠছে প্রশ্ন।