Advertisement
শিকারী ড্রোনের সঙ্গী একঝাঁক যুদ্ধবিমান, ভারতের 'হাতে থাকা' অস্ত্রেই ইরানের কোমর ভেঙেছে আমেরিকা
স্থলে-জলে-অন্তরীক্ষে ইরানের বিরুদ্ধে কোন অস্ত্রগুলি ব্যবহার করেছে আমেরিকা, রইল তালিকা।
যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। শনিবার থেকে ইরানের বিরুদ্ধে অপারেশন সিংহ গর্জন শুরু করেছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। দুই দেশের যৌথ আক্রমণে নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই। পালটা মার শুরু করেছে ইরানও।
মার্কিন হামলার পালটা দিতে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে ইরান। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানি রণতরীর অনেকগুলিই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তাদের নৌসেনা সদর দপ্তর, সেনার সদর দপ্তর সমস্তই ধ্বংস হয়েছে যৌথ হামলায়।
নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডারের সেরা অস্ত্রগুলি নিয়ে ইরানে হামলা চালিয়েছে মার্কিন ফৌজ। স্থল-জল-অন্তরীক্ষ তিন জায়গাতেই একেবারে নির্ভুলভাবে অপারেশন চালানো হয়েছে। আর এই তিন ক্ষেত্রেই মার্কিন ফৌজের সেরা অস্ত্রগুলি ব্যবহৃত হয়েছে। যুদ্ধবিমান, রণতরী, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম একযোগে কাজ করেছে এই অপারেশনে।
এফ ৩৫ স্টেলথ ফাইটার, এফ ২২ স্টেলথ ফাইটার, বি ২ স্টেলথ বম্বার-সহ সাত রকমের যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে ইরানে হামলা করেছে আমেরিকা। এছাড়াও এ-১০ অ্যাটাক জেটের মাধ্যমে ইরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভবনে হামলা চালানো হয়েছে।
শত্রুপক্ষের দিকে নজর রাখতেও একাধিক শক্তিশালী যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে আমেরিকা। তারমধ্যে অন্যতম এমকিউ ৯ রিপার ড্রোন। আল কায়দা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরিকে নিকেশ করতে এই ড্রোন ব্যবহার করেছিল আমেরিকা।
ঐতিহাসিক চুক্তি করে আমেরিকার এই শিকারি ড্রোন কিনছে ভারতও। ৩৫০ কোটি ডলারের বিনিময়ে ৩১টি মার্কিন ড্রোন কেনা হবে। এই ড্রোন একটানা ২৭ ঘণ্টা ধরে উড়তে পারে ৫০ হাজার ফুটেরও বেশি উচ্চতায়। ২,১৫৫ কিলোগ্রাম ওজন বহনের ক্ষমতাও রয়েছে এই ড্রোনের।
এছাড়াও লুকাস ড্রোন, আরসি ১৩৫ রিকনসায়েন্স স্পাই প্লেন, পি ৮ মেরিটাইম পেট্রল এয়ারক্রাফটের মাধ্যমে শত্রুদের গতিবিধি, সম্ভাব্য আক্রমণের উপর নজর রেখেছে মার্কিন ফৌজ। তবে ইরানি হামলায় এখনও আমেরিকার কোনও অস্ত্রের ক্ষতি হয়নি। যদিও তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়েছে মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫।
ইরানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মিসাইল হামলা শুরু করেছে লেবাননের জঙ্গি সংগঠন হেজবোল্লাও। তবে মার্কিন ঘাঁটিগুলি সেই আক্রমণ প্রতিহত করছে নানা ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে। তালিকায় রয়েছে 'থাড' অ্যান্টি ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম-সহ অন্তত চার ধরণের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
নির্ভুলভাবে হামলা চালাতে মার্কিন বায়ুসেনাকে সাহায্য করেছে সেদেশের নৌবাহিনীও। মিসাইল ধ্বংসকারী জাহাজ থেকে শুরু করে বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড-সমস্তই পাঠানো হয়েছিল ইরানের দিকে।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 04:11 PM Mar 02, 2026Updated: 04:11 PM Mar 02, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
