সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঈশ্বর বিশ্বাসীরা মন্দিরে বহু সময় নানা সামগ্রী দান করেন। অনেকেরই বিশ্বাস তার মাধ্যমে সংসারের শ্রীবৃদ্ধি হয়। অর্থভাগ্যেরও উন্নতি হয়। কেরিয়ারের ক্ষেত্রে বদল নাকি সহজেই টের পাওয়া যায়। কিন্তু যা ইচ্ছা হল তা দান করলে হবে না। শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, নির্দিষ্ট কয়েকটি সামগ্রী দানে মিলবে সুফল।
বছরের শুরুতে মন্দিরে ভোগসামগ্রী দান করতে পারেন। চাল, ডাল, ময়দা দিতে পারেন। যা দিয়ে মন্দিরেই ভোগ তৈরি হতে পারে। আবার কোনও মন্দির কর্তৃপক্ষ সায় দিলে আপনি নিজে হাতে তৈরি করা ভোগও দান করতে পারেন। মন্দিরের ভোগে বহু দীনদরিদ্র মানুষের পেট ভরে। তাই মন্দিরে ভোগ সামগ্রী কিংবা ভোগদান করা মানে কারও খাবার বন্দোবস্ত করা।
মন্দির থেকে বহু দীনদরিদ্র মানুষকে পোশাক কিংবা কম্বল বিলি করা হয়। আপনিও তাতে অংশ নিতে পারেন। মন্দির কর্তৃপক্ষের পাশে দাঁড়াতে পুণ্যলাভ হবে বলেই মনে করেন শাস্ত্রজ্ঞরা। এভাবে আপনার কেরিয়ারের উন্নতি হবেই।
অন্ধকার কেটে আলো জ্বালানোর প্রতীক প্রদীপ। আর প্রত্যেক মন্দিরেই প্রদীপ জ্বালানো হয়। তাই মন্দিরে সরষের তেল কিংবা ঘি দান করতে পারেন। মাটির প্রদীপও দান করেন অনেকে। আর তা না পারলে মোমবাতিও দান করতে পারেন। তাতে জীবনে আঁধার কেটে আসবে আলো।
কোনও মন্দিরে যদি দেবীমূর্তি থাকে, তাহলে সিঁদুর ও আলতা দান করতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিবাহিত মহিলারা এই সামগ্রী দান করতে পারেন। তাতে স্বামীর আয়ু বৃদ্ধি হয় বলেই মনে করেন কেউ কেউ।
গোমাতার সেবায় নিয়োজিত হতে চান? তবে আপনি গরুর উপযোগী কোনও সামগ্রী মন্দিরে দান করতে পারেন। সবুজ ঘাস, খুদ, ভূসি দিতে পারেন। তাতে আপনার আর্থিক উন্নতি কেউ রুখতে পারবে না।
