shono
Advertisement
Chandrayaan-3

চন্দ্রাভিযানে ভারতের 'বিক্রমে' পথ খুলল নাসার, এবার চন্দ্রপৃষ্ঠে স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপনের ভাবনা

২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ঐতিহাসিক সাফল্য পায় ভারতের চন্দ্রযান ৩ মিশন। তার ভিত্তিতেই আর্টেমিস অভিযানের কথা ভাবছে নাসা।
Published By: Kishore GhoshPosted: 04:49 PM May 20, 2026Updated: 08:06 PM May 20, 2026

২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ঐতিহাসিক সাফল্য পায় ভারতের চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan-3) মিশন। রাশিয়া, আমেরিকা, চিন যা পারেনি, চাঁদের দক্ষিণ মেরিতে নামে ল্যান্ডার বিক্রম। যা চন্দ্রপৃষ্টের গবেষণায় নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। এর ভিত্তিতেই এবার আর্টেমিস অভিযানের কথা ভাবছে নাসা। যার মাধ্যমে চন্দ্রপৃষ্ঠে একটি স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপনের কথা ভাবছে মার্কিন বিজ্ঞানীরা।

Advertisement

ভারতের যুগান্তকারী মহাকাশ অভিযানের শেষ মুহূর্তে চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম একটি অপরিকল্পিত কাজ করে। যা এখন চাঁদের দক্ষিণ মেরুপৃষ্ঠ সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আগের তুলনায় অনেক বেশি স্পষ্ট করছে। দক্ষিণ মেরুতে বিক্রম যেখানে নামে সেই স্থানটিকে শিব শক্তি পয়েন্ট নাম দেওয়া হয়। নাসার বিজ্ঞানীরাও একমত হয়েছেন, চন্দ্রপৃষ্ঠের মাটি পূর্বে যা ভাবা হত তার চেয়ে অনেক বেশি বৈচিত্র্যময় ও জটিল।

২০২৩ সালের ১৪ জুলাই দুপুর ২টো ৩৫ মিনিট। ইতিহাস গড়ার পথে প্রথম পা বাড়িয়েছিল চন্দ্রযান-৩। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টারের লঞ্চিং প্যাড থেকে চাঁদের উদ্দেশে উড়ে গিয়েছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর এই মহাকাশযান। ২৩ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে চাঁদের মাটি ছোঁয় ল্যান্ডার বিক্রম।

২০১৯ সালে চন্দ্রযান-২-এর ব্যর্থতার পর এক ধাক্কায় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় ইসরোর চাঁদের মাটি ছোঁয়ার স্বপ্ন। কান্নায় ভেঙে পড়েন ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান কে শিবন। কিন্তু দমে যাননি ইসরোর বিজ্ঞানীরা। মনখারাপ সরিয়ে চন্দ্রযান-৩-এর কাজে হাত লাগায় ইসরো। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে চাঁদের মাটি ছোঁয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। ইতিহাস তৈরির লক্ষ্যে নতুন করে পথ চলা শুরু করে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। শেষ পর্যন্ত ঐতিহাসিক সাফল্য আসে ২০২৩ সালের ২৩ জুলাই ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement