হাতে মাত্র আর একদিন। আগামিকাল অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগু হচ্ছে 'সিম বাইন্ডিং'। আর এই নিয়ম লাগু হয়ে গেলে সিম কার্ড ফোনে না থাকলে সেই নম্বর ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) বা এই ধরনের কোনও মেসেঞ্জিং অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন না।
ব্যাপারটা ঠিক কী? আট থেকে আশি সকলেই আজকাল হোয়াটসঅ্যাপে সড়গড়। শুধু আড্ডা নয়, এখন যাবতীয় অফিসিয়াল কাজও হয় হোয়াটসঅ্যাপে। সেই সুযোগকেই কাজে লাগায় প্রতারকরা। সেই কথা মাথায় রেখে জালিয়াতি রুখতেই বড় পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ-সহ অধিকাংশ অ্যাপের ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র প্রথমবার লগইন-এই ওটিপি ভেরিফিকেশন হয়। তারপর ওই সিম কার্ড ব্যবহার না করলেও কোনও সমস্যা হয় না। আর এতে জালিয়াতদের সুবিধা হয় বলেই দাবি। কারণ, অনেকেই নম্বর ব্যবহার করে অ্যাপ খুলে জালিয়াতির ফাঁদ পাতে। কিন্তু সিম কার্ডটি নষ্ট করে ফেলায় তাঁদের হদিশ পেতে নাজেহাল হতে হয় তদন্তকারীদের।
সেসব দিক মাথায় রেখেই কেন্দ্রের তরফে নয়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যে নম্বরটি ব্যবহার করেন হোয়াটসঅ্যাপে সেই সিমটি ফোনে থাকা বাধ্যতামূলক। কোনও নম্বর ৯০ দিনের বেশি সময় বন্ধ থাকলে তা ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ বা কোনও মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না। অর্থাৎ ধরুন আপনি নিজের নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। ধরুন কোনও কারণে নম্বরটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বরাবরের জন্য। সেক্ষেত্রে ৯০ দিনের বেশি পুরনো হোয়াটসঅ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন না। ওয়েবভার্সন ব্যবহারেও বড় বদল এসেছে। এতদিন লগ ইনের পর নিজে থেকে লগ আউট না করা পর্যন্ত ওয়েবভার্সন ব্যবহার করা যেত। এবার প্রতি ৬ ঘণ্টায় হোয়াটসঅ্যাপের ওয়েবভার্সন নতুন করে লগ ইন করতে হবে। এতে জালিয়াতি রোখা সম্ভব হবে বলেই আশাবাদী কেন্দ্রের। আর এই গোটা বিষয়টাই চালু হবে ১ মার্চ থেকে।
