শিগগিরি আমেরিকানরা ভেনিজুয়েলা যেতে পারবেন। এর আগেই তিনি সেদেশের প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজকে জানিয়ে দিয়েছিলেন বৃহস্পতিবারের মধ্যেই দেশটির আকাশপথ পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। সব ঠিক থাকলে সেটা এবার হয়ে যাওয়ার কথা।
এর আগে গত নভেম্বরে আমেরিকা জানিয়ে দেয় ভেনেজুয়েলা ও তার আশপাশের আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ট্রাম্প সোশাল মিডিয়ায় এই কথা জানিয়ে লেখেন, 'সব এয়ারলাইনস, পাইলট, মাদক এবং মানব পাচারকারীদের প্রতি আহ্বান- অনুগ্রহ করে ভেনেজুয়েলার উপর এবং আশপাশের আকাশপথকে পুরোপুরিই বন্ধ বলে বিবেচনা করুন।' জ্বালানি তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলার উপরে চাপ বাড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে এবার এই সিদ্ধান্তের ফলে ভেনেজুয়েলা কিছুটা স্বস্তি পাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এর আগে গত নভেম্বরে আমেরিকা জানিয়ে দেয় ভেনেজুয়েলা ও তার আশপাশের আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এখন তেল বিক্রি থেকে শুরু করে বিদেশনীতি-কারাকাসের যাবতীয় কার্যকলাপ বকলমে নিয়ন্ত্রণ করছে ওয়াশিংটনই।
এরপর নতুন বছরের শুরুতেই, গত ৩ জানুয়ারি গভীর রাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হামলা চালায় মার্কিন সেনা। মাত্র আধ ঘণ্টার অপারেশনে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করা হয়। ভেনেজুয়েলা থেকে মাদুরোকে নিয়ে এসে বন্দি করা হয়েছে মার্কিন জেলে। ভেনেজুয়েলার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিয়েছেন ডেলসি রডরিগেজ। কিন্তু তেল বিক্রি থেকে শুরু করে বিদেশনীতি-কারাকাসের যাবতীয় কার্যকলাপ বকলমে নিয়ন্ত্রণ করছে ওয়াশিংটনই।
এদিকে ভেনেজুয়েলায় মাদুরো যুগের অবসানের বীজ নাকি বুনেছিলেন মাদুরোর ডেপুটি নিজেই, এমন অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব উঠে এসেছে সম্প্রতি। এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের দাবি, ডেলসির আশ্বাসেই মাদুরোকে নিজের প্রাসাদ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সাহস দেখিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
জানা গিয়েছে, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ডেলসি রডরিগেজ ও তার ভাই জর্জ রডরিগেজ ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতার আশ্বাস দেওযার পাশাপাশি কাতারের কর্মকর্তাদেরও আশ্বস্ত করেন। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে গোপনে করা এই প্রতিশ্রুতির পরেই মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার নাটকীয় সামরিক অভিযান চালায় আমেরিকা।
