পিছিয়ে গেল চিনা জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ, ভারতের চাপে পিছু হঠল কলম্বো

11:53 AM Aug 07, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনা (China) গুপ্তচর জাহাজ ‘ইউয়ান ওয়াং-৫’-এর শ্রীলঙ্কা (Sri Lankahf:f/s ) সফরে রাশ টানল রনিল বিক্রমসিংহে সরকার। আগামী ১১ আগস্ট দক্ষিণ শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে ভেড়ার কথা ছিল চিনা নৌবাহিনীর আধুনিক ওই ‘স্পেস-স্যাটেলাইট ট্র্যাকার শিপের’।

Advertisement

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782001027-0'); });

২০০৭ সালে নির্মিত ১১ হাজার টনের ওই নজরদারি জাহাজটি বর্তমানে তাইওয়ান প্রণালীর কাছে রয়েছে। জিয়াংইন বন্দর থেকে সেটি দক্ষিণ চিন সাগরের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছিল। সূত্রের খবর, উপগ্রহের উপর নজরদারির কাজে ব্যবহৃত ওই জাহাজটিকে কিছু দিনের জন্য পোতাশ্রয় হিসাবে, হাম্বানটোটা বন্দরকে ব্যবহার করতে দিতে জুলাইয়ের গোড়ায় শ্রীলঙ্কাকে অনুরোধ জানিয়েছিল বেজিং। তাতে প্রাথমিক সম্মতিও মিলেছিল।

window.unibots = window.unibots || { cmd: [] }; unibots.cmd.push(()=>{ unibotsPlayer('sangbadpratidin'); });

[আরও পড়ুন: শুধু জয় নয়, উপরাষ্ট্রপতি ভোটে ব্যবধানেও রেকর্ড ধনকড়ের, নেপথ্যের কারণ নিয়ে চিন্তায় বিরোধীরা]

কিন্তু ২০১৪ সালে দু’টি চিনা ডুবোজাহাজের হাম্বানটোটা সফরের পর আপত্তি তোলা হয়েছিল নয়াদিল্লির তরফে। ‘ইউয়ান ওয়াং-৫’ নিয়েও একই ভাবে উদ্বেগ জানানো হয়েছিল শ্রীলঙ্কাকে। আর্থিক সংকটে ধ্বস্ত শ্রীলঙ্কাকে গত কয়েক মাসে নানাভাবে সাহায্য করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। এই পরিস্থিতিতে ‘ইউয়ান ওয়াং-৫’-এর হাম্বানটোটা সফর অনির্দিষ্ট কালের জন্য পিছিয়ে দিতে শুক্রবার বেজিংকে বার্তা দিয়েছে কলম্বো। ভারতের অনুরোধে সাড়া দিয়েই শ্রীলঙ্কার এমন পদক্ষেপ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহলের একাংশ।

Advertising
Advertising

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782050143-0'); });

আগস্ট ও সেপ্টেম্বর জুড়ে ভারত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশে স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ, রিসার্চ ট্র্যাকিং ও স্পেস ট্র্যাকিং- সব ধরনের নজরদারি চালানোর কথা ছিল ওই চিনা জাহাজটির। আশঙ্কা ছিল, শ্রীলঙ্কার বন্দর থেকে লুকিয়ে নজরদারি চালাতেই চিনা জাহাজটি হয়তো এখানে উপস্থিত হচ্ছিল। এক রিপোর্টের দাবি ছিল, প্রায় ৭৫০ কিমি এলাকায় বায়বীয় নজরদারি চালাবার ক্ষমতা রয়েছে জাহাজটির। সুতরাং চাইলেই ওই জাহাজ ভারতীয় সীমান্তে থাকা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র এবং কালাপাক্কাম ও কুডানকুলাম অঞ্চলের দিকে নজরদারি চালাতে পারত। পাশাপাশি কেরল, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের বন্দরগুলি সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করে নিতে পারত তারা।

[আরও পড়ুন: বিরোধীদের মধ্যে সমন্বয় নিয়ে কংগ্রেসকে আক্রমণ, দূরত্ব বজায় রাখার ইঙ্গিত তৃণমূলের]

Advertisement
Next