সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভা ভোটের বছর প্রত্যাশিতভাবেই আয় বেড়েছে কংগ্রেস এবং বিজেপি দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর। তবে ২০২৩-২৪ সালে আয়বৃদ্ধির নিরিখে অন্তত বিজেপিকে টেক্কা দিয়েছিল কংগ্রেস। যদিও মোট আয়ের নিরিখে বিজেপি কংগ্রেসের থেকে অনেক এগিয়ে।
নির্বাচন কমিশন ২০২৩-২৪ সালের রাজনৈতিক দলগুলির অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। ওই অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে বিজেপি ৩৯৬৭ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচনী বন্ড থেকে প্রাপ্ত অনুদানের অঙ্ক ১২৯৪ কোটি। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে অর্থাৎ ভোটের আগের বছর বিজেপির মোট আয় ছিল প্রায় ২১২০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে গেরুয়া শিবিরের আয় বেড়েছে ৮৭ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে নির্বাচনী বন্ডে বিজেপি আয় করেছিল ১৬৮৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ ভোটের বছর নির্বাচনী বন্ড থেকে বিজেপির প্রাপ্ত অনুদানের অঙ্কটা কমেছে। যদিও সেটার মূল কারণ সুপ্রিম কোর্ট ভোটের ঠিক আগে আগেই নির্বাচনী বন্ডকে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করা।
কংগ্রেস গত প্রায় এক দশক থেকে আয়ের নিরিখে বিজেপির থেকে অনেক পিছিয়ে। ২০২৩-২৪ সালেও সেই ছবিটা বদলায়নি। তবে এবার একটি পরিসংখ্যান খানিক স্বস্তি দেবে হাত শিবিরকে। হিসাব বলছে ভোটের বছর কংগ্রেসের আয় বেড়েছে ৩২০ শতাংশ। অর্থাৎ আয়বৃদ্ধির নিরিখে কংগ্রেস টেক্কা দিয়েছে বিজেপিকে। কিন্তু সমস্যা হল ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে কংগ্রেসের আয় পাতে দেওয়ার মতো ছিল না। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে কংগ্রেস মোটে ২৬৮ কোটি টাকা আয় করেছিল। সেটা ভোটের বছর বেড়ে হয় ১ হাজার ১২৯ কোটি। এর মধ্যে নিষিদ্ধ নির্বাচনী বন্ড থেকেই ২০২৩-২৪ সালে কংগ্রেস পেয়েছে ৮২৮ কোটি টাকা।
বিরোধীদের বরাবরের অভিযোগ, নির্বাচনী ময়দানে অসম লড়াই লড়তে হচ্ছে তাদের। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপির বিপুল অর্থবলের কাছে পরাজিত হতে হয়েছে তাঁদের। সেই অভিযোগই প্রতিষ্ঠিত কমিশনের দেওয়া তথ্য।