বেঙ্গালুরুর হাসান জেলার সাকলেশপুর তালুক। সবুজে ঢাকা এক অঞ্চল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভাণ্ডার। আর সেই কারণেই এখানে ভিড় করেন বহু হবু দম্পতি। প্রি-ওয়েডিং শুটের জন্য। কিন্তু এবার এক হবু দম্পতি সেখানে শুট করতে গিয়ে পড়ল আতান্তরে। জুতো পরে মন্দির চত্বরে ঢুকে পড়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁদের ও ফটোগ্রাফারদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় জনতার হাতে মার খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ফটোগ্রাফাররা। উঠেছে ক্যামেরা ভাঙার অভিযোগও। হাসান জেলার ফটোগ্রাফার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বেত্তাডা ভৈরবেশ্বর মন্দিরে ছবি তুলতে আসেন ওই যুগল। সঙ্গে ছিলেন ফটোগ্রাফাররা। আচমকাই স্থানীয় জনতা সেখানে উপস্থিত হয়। তাদের দাবি, মন্দির চত্বরে জুতো পরেছে ঢুকেছেন সকলে। যা একেবারেই অসমীচীন। আর এতেই বেধে যায় গোলমাল। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। প্রথমে কথা কাটাকাটি থেকে ক্রমে তা মারামারির পর্যায়ে পৌঁছয়। জনতার আপত্তি ছিল মূলত দু'টি বিষয়ে। প্রথমত, মন্দিরের ভিতরে ঢুকে কেন শুট করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, জুতো পরে কেন এখানে প্রবেশ করা হয়েছে। আপত্তি প্রকাশ করেন মন্দিরের পুরোহিতও। কিন্তু বারবার বলা সত্ত্বেও শুটিং বন্ধ হয়নি বলে দাবি স্থানীয়দের।
জুতো পরে মন্দির চত্বরে ঢুকে পড়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁদের ও ফটোগ্রাফারদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় জনতার হাতে মার খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ফটোগ্রাফাররা। উঠেছে ক্যামেরা ভাঙার অভিযোগও।
পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পাশাপাশি আহত ফটোগ্রাফারদের হাসপাতালে ভর্তি করে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ওই অঞ্চল থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগের তির ফটোগ্রাফার ও যুগলের দিকে। জানা গিয়েছে, পরে থানার বাইরেও গোলমাল বেধে গিয়েছিল দুই পক্ষের মধ্যে।
