Advertisement

দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রিটেনের পর করোনার নতুন প্রজাতির দেখা নাইজিরিয়ায়! বাড়ছে আতঙ্ক

12:46 PM Dec 25, 2020 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার (Coronavirus) নয়া স্ট্রেনের আতঙ্কে কাঁপছে ব্রিটেন (UK)। ধীরে ধীরে সেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে বাকি বিশ্বেও। বহু দেশেই বন্ধ করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক উড়ান। এই পরিস্থিতিতে করোনার আরও এক নতুন প্রজাতির দেখা পাওয়ার কথা জানাল নাইজিরিয়া (Nigeria)। আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশটির শীর্ষস্থানীয় এক স্বাস্থ্য আধিকারিক এই নয়া স্ট্রেনটি সম্পর্কে সকলকে সতর্ক করেছেন।

Advertisement

ব্রিটেনের পরে সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকাতেও (South Africa) মিলেছে একটি ভিন্ন স্ট্রেন। নাইজিরিয়ার এই স্ট্রেন আবার ব্রিটেন ও দক্ষিণ আফ্রিকার ওই দুই স্ট্রেনের থেকেই ভিন্ন। এমনটাই জানিয়েছেন ‘আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এর প্রধান জন কেঙ্গাসং। তাঁর কথায়, ‘‘এটা কিন্তু ব্রিটেন ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রজাতির থেকে আলাদা। তবে এই বিষয়ে এখনই পাকাপাকি ভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। আমাদের আরেকটু সময় দিন। ব্যাপারটা একেবারেই প্রাথমিক স্তরে রয়েছে।’’

[আরও পড়ুন: দীর্ঘ টানাপোড়েনের অবসান, কাটল ব্রেক্সিট পরবর্তী বাণিজ্য চুক্তির জট]

তিনি জানিয়েছেন, গত ৩ আগস্ট ও ৯ অক্টোবর নাইজিরিয়ার ওসুন প্রদেশে দু’জন রোগীর শরীরে ওই নতুন করোনা ভাইরাসের দেখা মিলেছে। কিন্তু এই প্রজাতি ব্রিটেনের স্ট্রেনের মতো অত দ্রুত ছড়াচ্ছে না বলেই মনে করা হচ্ছে। জন কেঙ্গাসং জানিয়েছেন, ‘‘নাইজিরিয়ার স্ট্রেনটি খুব তাড়াতাড়ি ছড়াচ্ছে এমন প্রমাণ এখনও মেলেনি। P681H নামের এই স্ট্রেনটির কারণেই নাইজিরিয়ায় সংক্রমণ বেড়েছে তেমনটাও বলা ঠিক নয়।’’

সেই সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার করোনা স্ট্রেনটিকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। ইতিমধ্যেই সেদেশে সংক্রমিতের সংখ্যা ১০ লক্ষ ছুঁতে চলেছে। খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে ওই নয়া স্ট্রেন। যদিও এই মিউটেশনের ফলে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতায় কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই আত্মবিশ্বাসী তিনি। 

[আরও পড়ুন: ড্যানিয়েল পার্লের হত্যায় অভিযুক্ত ওমর শেখকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ পাক আদালতের]

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনা ভাইরাসের নয়া রূপ ইতিমধ্যেই আতঙ্ক ছড়াতে শুরু করেছে। গত একদিনে সেখানে নতুন ১৪ হাজার আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। মারা গিয়েছেন চারশোরও বেশি মানুষ। অতিমারী শুরুর পর থেকে এর আগে কখনও দক্ষিণ আফ্রিকায় এমন প্রকোপ দেখা যায়নি ভাইরাসের। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সম্ভবত আরও বড় দ্বিতীয় ঢেউয়ের মুখোমুখি হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

Advertisement
Next