বিয়ে হল এমন এক লাড্ডু, যা খেলে বা না খেলেও পস্তাতেই হয়। বহু গুণীজন এমনটাই বলে থাকেন। তাহলে কি সফল দাম্পত্য বলে কিছু হয় না? সেকথা ভাবলে ঠকতে হবে। বহু নারী ও পুরুষ বহু বছর ধরে তাঁদের সম্পর্ককে সঠিক পথেই রেখে দেন। আবার এও ঠিক, অনেকেই সেটা পারেন না। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন আসেই, সফল দাম্পত্য জীবনের নেপথ্যে কী থাকে? এককথায় কিছু বলা মুশকিল। কেননা প্রতিটি মানুষ আলাদা। প্রতিটি সম্পর্কের রয়েছে নিজস্ব সমীকরণ। তবে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের একটি অমোঘ টিপসের কথা এখানে আলোচনা করা যেতেই পারে। অনেকেরই মতে, সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে এই টিপস অমোঘ।
কী বলেছিলেন ঐশ্বর্য? বলিউডের নায়িকা এক বহু পুরনো সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন। 'কফি উইথ করণ'-এর মতো জনপ্রিয় অনুষ্ঠানে এসেছিলেন অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্য। তখন তাঁরা সদ্য বিবাহিত। ২০০৭ সালের সেই সাক্ষাৎকারে অভিষেক সরস ভঙ্গিতে জানিয়েছিলেন, তাঁর ও ঐশ্বর্যর ঝগড়া হলে সেটা মেটাতে হয় তাঁকেই।
'কফি উইথ করণ'-এর মতো জনপ্রিয় অনুষ্ঠানে এসেছিলেন অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্য। সেখানেই বলিউডের নায়িকা এই বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন।
নিজেদের বৈবাহিক জীবন সম্পর্কে অমিতাভপুত্র বলেছিলেন, ''যে সব মানুষ বিবাহিত তাঁরা ঠিকই বুঝবেন এটা সত্যি। কোনও স্ত্রীই প্রথমে এগিয়ে আসেন না। প্রতিটি বিয়েতেই প্রতিটি স্ত্রীই সব সময় ঠিক! বরদেরই শেষপর্যন্ত 'সরি' বলতে হয়।'' আর সেই সময়ই মুখ খোলেন ঐশ্বর্য। জানিয়ে দেন, ''বিবাহিত মহিলাদের জীবনের নৈঃশব্দ্য সত্যিই মূল্যবান। আর সেটা জেদের বিষয় নয়। ভালোবাসাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই।''
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঐশ্বর্যের এমন মন্তব্যটি কিন্তু কোনও আলটপকা বিষয় নয়। বরং তা সম্পর্ক বিষয়ক এক বুদ্ধিদীপ্ত পরামর্শ। চুপ করে থাকা মানে 'হেরে যাওয়া' নয়। বরং এটা বুঝিয়ে দেওয়া, আপনি শান্তিকে বেছে নিচ্ছেন। সেক্ষেত্রে বহু স্বামীই এগিয়ে আসেন, ঝগড় মিটিয়ে নিতে। ফলে বহু সম্ভাব্য প্রবল কলহ অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়। কাজেই হিরন্ময় নীরবতা যে অসীম শক্তিশালী তা নিয়ে তর্ক চলা উচিত নয়।
