Advertisement

সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ, FATF-এর ধূসর তালিকা থেকে সম্ভবত এখনই মুক্তি নয় পাকিস্তানের

04:58 PM Oct 21, 2020 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এই মুহূর্তে পাকিস্তানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তান (Pakistan) কি গৃহযুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে? স্বাভাবিক ভাবেই প্রবল চাপে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। এমন পরিস্থিতিতে এফএটিএফের (FATF) ভারচুয়াল বৈঠক শুরু হচ্ছে আজ। আন্তর্জাতিক আর্থিক দুর্নীতি নিয়ন্ত্রক এই সংস্থার ধূসর তালিকা (Grey list) থেকে পাকিস্তান মুক্তি পাবে কিনা তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। কিন্তু ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ধূসর তালিকা থেকে এবারও মুক্তি পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই তাদের। প্রসঙ্গত, গত দু’ বছর ধরে এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে পাকিস্তান।

Advertisement

ইমরান খানের দেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দান ও অন্যান্য আর্থিক দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার। বুধবার থেকে শুরু হওয়া এফএটিএফের ভারচুয়াল বৈঠক চলবে তিনদিন। তার মধ্যেই জানা যাবে, পাকিস্তান ধূসর তালিকা থেকে মুক্ত হতে পারল কিনা। পরিস্থিতি যা, এই অভিযোগ থেকে এখনই সম্ভবত মুক্তি পাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই পাকিস্তানের। কেননা, সন্ত্রাসদমনে প্যারিস স্থিত ‘Financial Action Task Force’-এর তৈরি করে দেওয়া ২৭টি অ্যাকশন প্ল্যানের মধ্যে ছ’টি এখনও মেনে চলতে পারেনি পাকিস্তান। প্রসঙ্গত, এর মধ্যে আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত অ্যাকশন প্ল্যা‌নগুলি মেনে চললেও যে ছ’টি তারা এখনও মেনে চলতে পারেনি সেগুলি সবই সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার বিষয়ে।

[আরও পড়ুন: সর্বনাশা বন্যায় বিপর্যস্ত ভিয়েতনাম, ক্রমশই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা ]

২০১৮ সালের জুন মাসে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাভুক্ত করা হয়। সেই সঙ্গে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয় ২০১৯ সালের মধ্যে সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়া ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে অ্যাকশন প্ল্যানগুলি মেনে চলতে। পরে করোনা পরিস্থিতিতে এই ডেডলাইন পরে আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

তবে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের ধূসর তালিকা থেকে বেরিয়া আসার সম্ভাবনা যতই ক্ষীণ হোক না কেন, কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও তাদের নেই। ওই প্রতিবেদনের আরও দাবি, আগামী বছরের জুন মাসে হয়তো পাকিস্তানের পক্ষে ধূসর তালিকা থেকে মুক্তিলাভ সম্ভব হবে।

[আরও পড়ুন: রাজনৈতিক তরজা ছড়িয়ে যাচ্ছে শালীনতার সীমা, ‘বন্ধ’ মাইকেই শেষ মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেট]

Advertisement
Next